আজ কোথায় আপনারা যারা সেই দিনের হেফাজতের তান্ডবের ' ছি ছি ' দিয়েছিলেন?



Badrul Alam Nill

হেফাজতের নির্দেশে যেদিন আখাউড়ায় জেলা অফিস, পুলিশ টুলবক্স, মিউজিক মিউজিয়াম, পুলিশ অফিস, নজরুল ইসলাম সেতু পুড়িয়ে বাংলাদেশের সম্পদ নষ্ট করে নামধারী মুসলিম গুলো তখন তাদের উপর ছি ছি আসছিলো৷৷

ধিক্কার দিয়েছিলো বাংলাদেশের জনতা৷৷ সেই ইসলামী গ্রুপ উগ্রবাদী, সন্ত্রাসী, দেশের শত্রু উপাধি পেতে বেশী সময় লাগে নি৷৷ আজ পুরো একটা হাসপাতাল উধাও!
গত বছরের ১৭ মে হাসপাতালটি উদ্বোধনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘পৃথিবীর আর কেউ পারে নাই, উন্নত দেশও পারে নাই।’

পৃথিবীর এত বড় ঘটনাটির এখন আর কোনো অস্তিত্ব নেই। পুরো হাসপাতালটি উধাও বা গায়েব হয়ে গেছে। দেশের মানুষকে একাত্তর টেলিভিশন হঠাৎ করে এ তথ্য জানিয়ে তাজ্জব করে দিলো। তারা জানাল, চার মাস আগে এই হাসপাতালটি তুলে নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বানানোর ছয় মাস পর্যন্ত দুই হাজার শয্যার হাসপাতালে একজনও রোগী ছিল না। একদিকে হাসপাতালে জায়গা নেই, আরেকদিকে হাসপাতাল ফাঁকা। ছয় মাসে একজনও রোগী পাওয়া গেল না। এটাও কম তাজ্জব ঘটনা নয়। কেন রোগী থাকল না, সামনে আবার দরকার হতে পারে কি না, তা কারও বিবেচনায় আসেনি।

আরেকটি তাজ্জব ব্যাপার। এই তথ্যটিও জানিয়েছে একাত্তর টেলিভিশন। মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় গত বছর একটি হাসপাতাল বানানো হয়েছিল করোনা মহামারি মোকাবিলার জন্যে। অন্য হাসপাতালগুলোতে যখন স্থান সংকুলান হচ্ছিল না, তখন তড়িঘড়ি করে হাসপাতালটি বানানো হয়েছিল। এক হাজার ৩৯০ শয্যার এই হাসপাতাল বানাতে খরচ হয়েছিল ১৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

মহামারির প্রকোপ কমার পর আবার বেড়েছে। এই একই ভবনের পঞ্চম তলায় এখন আরেকটি হাসপাতাল বানানো হচ্ছে। তাজ্জব ব্যাপার হলো, দোতলার হাসপাতালটি ধুলো-ময়লার স্তূপে পরিণত হয়েছে। মাত্র কয়েক মাস আগে বানানো হাসপাতালটিতে কেন ধুলো-ময়লা জমল? কেন তা পরিষ্কার না করে, একই ভবনে আরেকটি নতুন হাসপাতাল বানানো হচ্ছে? আংশিক উত্তর পাওয়া গেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে। পঞ্চম তলার হাসপাতাল নির্মাণকাজের অগ্রগতি দেখতে এসে নতুন হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘হাসপাতালগুলোতে এক ইঞ্চি জায়গায়ও নেই, যেখানে আরেকটি বেড রাখতে পারবেন। তখন বেডটা কোথায় দেবো? আপনাদের বাড়িঘরে বেড নিয়ে গেলে তো হবে না। How can a minister say that? what he means? for that corruption who will be liable?

আমি বাংলাদেশ আওয়ামী সরকার সরাসরি ভাবে সাপোর্ট করি৷৷ অনেকেই সাপোর্ট করেন৷৷ তাই বলে কি আমি সব কিছু সহ্য করব?? আমি আর চার- পাচ জনের মত বর্তমান সরকারের পা-চাটা গোলাম নই৷৷ আজ যারা ৩১ কোটি টাকার সেই করোনা হাসপাতাল উদাও করে, যারা জনগনের টাকায় কুত্তা পালন করে এবং সেই কুত্তা দিয়ে ১৮ কোটি জনতার পিছনে লেলিয়ে দেয় তারা আর যাই হয় মানুষ না৷৷ মানুষ হতেও পারে না৷৷ যারা বলবে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শের ভিত্তিতে রাজনীতি করেন আর ছি দিবেন না আপনারা সেই মুশতাক৷৷ মুশতাক ও চার বছর বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করেছিল৷৷
পাকিস্তানের শাসক সরাসরি আমাদের মেরে খেয়েছিলো৷৷ কিন্তু বুকে এত ধম ছিলো না৷৷ কিন্তু আমাদের সরকারের কিছু কুত্তা আছে যারা বুকে ধম নিয়ে প্রতিনিয়ত জনগণের টাকা আত্মসাৎ করে ঘেউ ঘেউ করতে লজ্জ্বা পায় না৷৷
আজ কোথায় আপনারা যারা সেই দিনের হেফাজতের তান্ডবের ' ছি ছি ' দিয়েছিলেন৷৷ আজ সেই একই ' ছি ছি ' কি আমাদের সাস্থ্য প্রকৌশল পাওয়ার যোগ্য নহে?? নাকি আওয়ামী দল সাপোর্ট করি বলে সরকারের কতিপয় কিছু কুত্তাদের বিপক্ষে কথা বলা উচিত হবে না? নাকি তাদের জনগণের টাকা মেরে খাওয়ার অধিকার আছে?? কিন্তু সাধারণ নাগরিক হিসাবে আমার কথা বলার অধিকার নেই??

Comments

Popular posts from this blog

মন্ত্রীর ফোন ছিনতাই ও জনগণের হক চুরি