ফিমেইল ইউএনও এসিল্যান্ড ইত্যাদি প্রসঙ্গে
ফিমেইল ইউএনও এসিল্যান্ড ইত্যাদি প্রসঙ্গেঃ
খুব ক্ষ্যাত এবং আনকালচার্ড চিন্তাভাবনা হলেও বলতে বাধ্য হচ্ছি, বেশিরভাগ মেয়েদের হাতে ক্ষমতা গেলে কিংবা এমন পজিশনে থাকলে যেখানে কিছু নারী- পুরুষ তার আন্ডারে কাজ করবে, তখন সেই উচ্চপদস্থ মহিলার ব্যাপক এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত চোটপাট পরিলক্ষিত হয়।
একটি ব্যাপার লক্ষ্য করছি বিগত কিছুদিন ধরে। কমনসেন্স বিহীন উদ্ভট শাস্তি প্রদান, আজগুবি জরিমানা ইত্যাদির যত সংবাদ দেখছি সবই হচ্ছে নারীদের দ্বারা।
প্রফেশনালিজমের পাশাপাশি নারীর রমনীয়তা আশা করি এসব ক্ষেত্রে যেহেতু তারা দুস্থ এবং ভুক্তভোগীদের নিয়ে কাজ করেন। অথচ ব্যাপারটি ঘটছে উল্টো।
একজন বৃদ্ধ বয়স্ক মানুষকে সবার সামনে কান ধরানো, আরেকজন দরিদ্র বৃদ্ধ বয়স্ক মানুষকে অমানবিকভাবে ১০০ জনের বাসায় ত্রান দিতে বাধ্য করা, অসহায় গরীব মহিলার ছাগল বিক্রি করে জরিমানার টাকা আদায় করা উদ্ভট অজুহাতে, এগুলো ইডিয়টিক বিবেচনাহীন কাজকর্ম সংঘটিত হচ্ছে নারী এসি ল্যান্ড ইউএনও দ্বারা। লজ্জাজনক।
পেশাগত ক্ষেত্রে নারীরা এধরণের উচ্চপদে গেলেই হিংস্র হয়ে উঠে নিজের স্বকীয়তা আর কোমলতা বিসর্জন দেবার এইরকম বেওকুফি তারা কেন করেন? আমার ধারণা, তারা হীনমন্যতা থেকে এসব কাজ করেন। যা সত্যিই লজ্জাকর একটি ব্যাপার৷

Comments
Post a Comment